জাতীয় পরিক্রমালক্ষ্য: বিসিএস, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলি

১৭ শিক্ষকের কলেজের ১০ পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করেননি

পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক ১৭ জন। এই প্রতিষ্ঠান থেকে কারিগরি বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০ জনের কেউই পাস করেননি।

প
প্রথম আলো (শীর্ষ সংবাদ ও জাতীয়)•২ নভে, ২০২৬•বিস্তারিত প্রতিবেদন
৩ মিনিট পাঠ

শিক্ষণীয় মূল বিষয়বস্তু (Exam Key Takeaways)

  • মূল সারসংক্ষেপ: ১৭ শিক্ষকের কলেজের ১০ পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করেননি। এর মূল চিত্র হলো— নওগাঁর পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি (বিএম/বিএমটি) পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১০ জন।
  • প্রেক্ষাপট ও কার্যকারণ: অথচ ১০ পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি।
  • পরীক্ষার প্রস্তুতিতে গুরুত্ব: শাসনব্যবস্থা, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা, নির্বাচন ও সাংবিধানিক কাঠামো সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞান ও লিখিত পরীক্ষার জন্য তথ্যটি সহায়ক।

বিসিএস ও ভর্তি পরীক্ষা তথ্য ছক (Exam Fact Sheet)

হাই-ইল্ড ডেটা

প্রিলিমিনারি নৈর্ব্যক্তিক ও লিখিত রচনায় কোটেশনযোগ্য সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান

ক্ষেত্র / সূচকসুনির্দিষ্ট তথ্য ও পরিসংখ্যানপরীক্ষার প্রাসঙ্গিকতা
নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা / প্রধান পক্ষকর্তৃপক্ষ ও মূল পক্ষ
শিক্ষকের সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও অংশীজন
সংবিধিবদ্ধ প্রাতিষ্ঠানিক এখতিয়ার, সুশাসন ও নির্বাহী কর্তৃত্ব
সুনির্দিষ্ট উপাত্ত / মূল সিদ্ধান্তউপাত্ত ও প্রধান সিদ্ধান্ত
কলেজটিতে শিক্ষক আছেন ১৭ জন
সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ ও নীতিগত সিদ্ধান্তের তথ্য
কার্যকর সময়কাল / আইনি ভিত্তিআইনি ভিত্তি ও পটভূমি
চলতি অর্থবছর ও সমসাময়িক পরিক্রমা
সরকারি নীতি কার্যকর ও জাতীয় বাস্তবায়ন সময়রেখা
বিসিএস ও ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস কোণবিসিএস ও ভর্তি পরীক্ষা কোণ
বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত (জাতীয় পরিক্রমা)
পরীক্ষার খাতায় উচ্চ নম্বর নিশ্চিতকরণে উদ্ধৃতিযোগ্য তথ্য
পরীক্ষার প্রস্তুতিতে যেভাবে ব্যবহার করবেন: বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে কিংবা ইংরেজি রচনায় (Essay) এই সুনির্দিষ্ট উপাত্ত, প্রতিষ্ঠান ও সাল ভূমিকা বা উপসংহারে উদ্ধৃতি (Quotation) হিসেবে জুড়ে দিলে খাতায় উচ্চ নম্বর প্রাপ্তি নিশ্চিত হয়।
খবরাখবর বিশেষ একাডেমিক ফ্যাক্টশিট ও পরীক্ষা প্রস্তুতি সংকলন
সংবাদপত্রের বিস্তারিত প্রতিবেদন দেখুন
১৭ শিক্ষকের কলেজের ১০ পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করেননি
উৎস: প্রথম আলো (শীর্ষ সংবাদ ও জাতীয়) • বিভাগ: জাতীয় পরিক্রমা

নওগাঁর পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি (বিএম/বিএমটি) পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১০ জন। কলেজটিতে শিক্ষক আছেন ১৭ জন। অথচ ১০ পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি।

শুধু এই কলেজ নয়, এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নওগাঁর আরও ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করেননি। গত শনিবার ফলাফল প্রকাশের পর বিশ্লেষণে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানগুলো হলো মহাদেবপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাহারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা ও আরিফ মেমোরিয়াল কলেজ, পোরশার মেদা হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) আলিম মাদ্রাসা, নিয়ামতপুরের রাজাপুর বটতলী হাট কলেজ ও সাংশৈল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রানীনগরের বড়খোল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ, ধামইরহাটের শহীদ আব্দুল জব্বার মঙ্গলবাড়ী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ, পত্নীতলা উপজেলার পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মান্দার শ্যাম চাঁদ মডেল উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ, ঘোনা আদর্শ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং আত্রাইয়ের সোনাইডাঙ্গা মহিলা বিএম অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজ।

পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০২১ সালে। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হামিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বেশির ভাগই অনিয়মিত। বেশির ভাগই পড়াশোনার পাশাপাশি কারখানা কিংবা দোকানে কাজ করে। এদের ধরে ধরে এনে ক্লাস করাতে হয়। এ কারণে এখানকার ফল এত খারাপ।’

স্থানীয় যুবক আবু সাঈদ এ ফল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষক-কর্মচারীরা মাসে বেতন-ভাতা নিয়মিত পান। তারপরও ১৭ শিক্ষকের একটি প্রতিষ্ঠানে ১০ জন পরীক্ষার্থী পাস করেন না। কর্তৃপক্ষের উচিত, প্রতিষ্ঠানের প্রশাসক কিংবা শিক্ষকদের কোনো গাফিলতি আছে কি না, তা তদন্ত করে বের করা।

শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মহাদেবপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাহারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত। এখানকার শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে নিয়মিত বেতন-ভাতা পান। মাদ্রাসাটি ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এমপিওভুক্ত হয় ২০১২ সালে। এবার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিম পরীক্ষায় এখান থেকে ২৬ জন অংশ নেন। কেউ পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক ২৪ জন, কর্মচারী ৬ জন।

মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ মো. জয়নাল আবেদিন বলেন, ‘বরাবরই আমাদের প্রতিষ্ঠানে ফল ভালো হয়। কিন্তু এবার ফল খুবই খারাপ হয়েছে। এবারের শিক্ষার্থীরা একটু দুর্বল ছিল। ইংরেজি ও অঙ্ক পরীক্ষায় সবাই খারাপ করেছে। আশা করি ভবিষ্যতে আমরা ভালো করব।’

বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরিফ মেমোরিয়াল কলেজ থেকে একজন, মেদা হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) আলিম মাদ্রাসা থেকে ছয়জন, রাজাপুর বটতলী হাট কলেজ থেকে নয়জন, সাংশৈল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে চারজন, বড়খোল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ থেকে সাতজন, শহীদ আব্দুল জব্বার মঙ্গলবাড়ী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ থেকে আটজন, শ্যাম চাঁদ মডেল উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ থেকে আটজন, ঘোনা আদর্শ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাঁচজন এবং সোনাইডাঙ্গা মহিলা বিএম অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজ থেকে ১১ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেননি।

পাঠোত্তর প্রতিফলন ও সারসংক্ষেপ অনুশীলন (Active Recall)

প্রতিবেদনটি পড়া শেষ করার পর মূল ভাবটি নিজের ভাষায় ২-৩ বাক্যে লিখুন। এটি বিসিএস লিখিত ও ভর্তি পরীক্ষার ফোকাস রাইটিংয়ে আপনার নিজের ভাষায় উত্তর লেখার সক্ষমতা বহু গুণ বাড়িয়ে দেবে।

সরাসরি আপনার স্টাডি হাবে সংরক্ষিত হবে
সংরক্ষণ করতে লগইন করুন

পঠন মূল্যায়ন ও কুইজ (Active Recall Comprehension)

প্রতিবেদনটি পড়ে আপনার বোধগম্যতা ও সাধারণ জ্ঞান যাচাই করুন

1টি প্রশ্ন
প্রতিবেদনের প্রাসঙ্গিক তথ্যসূত্র:অনুচ্ছেদ ১ • মূল প্রেক্ষাপট

" নওগাঁর পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি (বিএম/বিএমটি) পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১০ জন।"

1. [শিক্ষা ও জাতীয় মূল্যায়ন পদ্ধতি] উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের (HSC) পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত ও মেধা মূল্যায়নে বাংলাদেশে কোন গ্রেডিং পদ্ধতি অনুসৃত হয়?