প্রচ্ছদ/খেলাধুলা/আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গন
খেলাধুলালক্ষ্য: আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গন, বৈশ্বিক পুরস্কার ও সাধারণ জ্ঞান

মিরপুর টেস্টে জিতবে কে

তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ এগিয়ে ১০৬ রানে। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের হাতে আছে ৪ উইকেট। আগামীকাল নাজমুলরা কত রানের লিড নিতে পারবেন?

প
প্রথম আলো (শীর্ষ সংবাদ ও জাতীয়)•৩০ অক্টো, ২০২৬•বিস্তারিত প্রতিবেদন
৩ মিনিট পাঠ

শিক্ষণীয় মূল বিষয়বস্তু (Exam Key Takeaways)

  • মূল সারসংক্ষেপ: মিরপুর টেস্টে জিতবে কে। এর মূল চিত্র হলো— আরও একটি দিন আলোকস্বল্পতায় শেষ, তৃতীয় দিনেও খেলা হতে পারল না পুরো সময়।
  • প্রেক্ষাপট ও কার্যকারণ: কম আলোর কারণে এই দুই দিনও খেলা আগেভাগে শেষ হলেও ফলাফল মোটামুটি অনিবার্য।
  • সাধারণ জ্ঞান আপডেট: জাতীয় ও বৈশ্বিক ক্রীড়াঙ্গনের সাম্প্রতিক রেকর্ড, চ্যাম্পিয়নশিপ ও টুর্নামেন্ট ফলাফলের সমসাময়িক সাধারণ জ্ঞান আপডেট।

বিসিএস ও ভর্তি পরীক্ষা তথ্য ছক (Exam Fact Sheet)

হাই-ইল্ড ডেটা

প্রিলিমিনারি নৈর্ব্যক্তিক ও লিখিত রচনায় কোটেশনযোগ্য সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান

ক্ষেত্র / সূচকসুনির্দিষ্ট তথ্য ও পরিসংখ্যানপরীক্ষার প্রাসঙ্গিকতা
নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা / প্রধান পক্ষকর্তৃপক্ষ ও মূল পক্ষ
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারণী কর্তৃপক্ষ
সংবিধিবদ্ধ প্রাতিষ্ঠানিক এখতিয়ার ও সুশাসন
সুনির্দিষ্ট উপাত্ত / পরিসংখ্যানউপাত্ত ও প্রধান সিদ্ধান্ত
খেলাধুলা বিষয়ক কাঠামোগত তথ্য ও সিদ্ধান্ত
সাধারণ জ্ঞান ও সমকালীন পর্যালোচনা
কার্যকর সময়কাল / আইনি ভিত্তিআইনি ভিত্তি ও পটভূমি
চলতি অর্থবছর ও সমসাময়িক পরিক্রমা
সরকারি নীতি কার্যকর ও বাস্তবায়ন সময়রেখা
বিসিএস ও ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস কোণবিসিএস ও ভর্তি পরীক্ষা কোণ
বিসিএস প্রিলিমিনারি ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষা
পরীক্ষার খাতায় উচ্চ নম্বর নিশ্চিতকরণ প্রস্তুতি
পরীক্ষার প্রস্তুতিতে যেভাবে ব্যবহার করবেন: বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে কিংবা ইংরেজি রচনায় (Essay) এই সুনির্দিষ্ট উপাত্ত, প্রতিষ্ঠান ও সাল ভূমিকা বা উপসংহারে উদ্ধৃতি (Quotation) হিসেবে জুড়ে দিলে খাতায় উচ্চ নম্বর প্রাপ্তি নিশ্চিত হয়।
খবরাখবর বিশেষ একাডেমিক ফ্যাক্টশিট ও পরীক্ষা প্রস্তুতি সংকলন
সংবাদপত্রের বিস্তারিত প্রতিবেদন দেখুন
মিরপুর টেস্টে জিতবে কে
উৎস: প্রথম আলো (শীর্ষ সংবাদ ও জাতীয়) • বিভাগ: খেলাধুলা

আরও একটি দিন আলোকস্বল্পতায় শেষ, তৃতীয় দিনেও খেলা হতে পারল না পুরো সময়। টেস্টের প্রথম তিন দিনে খেলা হওয়ার কথা ছিল ২৭০ ওভার। কিন্তু প্রতিদিনই শেষ দিকে আলো কমে যাওয়ায় সব মিলিয়ে খেলা হতে পেরেছে ২০৯.৩ ওভার। অর্থাৎ তিন দিনে যতটুকু খেলা হওয়ার কথা ছিল, তার চেয়ে খেলা কম হয়েছে ৬০ ওভারের মতো।

তাতেও কেউ মিরপুর টেস্টকে ঠেকাতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না। এই টেস্ট ফলাফল দেখবেই দেখবে। তিন দিনে হওয়া ২০৯.৩ ওভারেই যে পড়ে গেছে ২৬ উইকেট! বাকি আরও দুই দিন। কম আলোর কারণে এই দুই দিনও খেলা আগেভাগে শেষ হলেও ফলাফল মোটামুটি অনিবার্য। শুধু ঝড়বৃষ্টি এতে খেলা ভাসিয়ে না দিলেই হয়।

তবে ফলাফল যে হবে, মিরপুর টেস্টে জিতবে কে? তৃতীয় দিনের শেষাংশ দেখার অভিজ্ঞতা থেকে কেউ হয়তো বলবেন, বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা কম। কিন্তু আলোকস্বল্পতার কারণে ৬ উইকেটে ৭৯ রান নিয়ে দিন শেষ করা বাংলাদেশের ১০৬ রানের লিডটাকে যদি বাকি ব্যাটসম্যানেরা মিলে মোটামুটি ভালো একটা জায়গায় নিয়ে যেতে পারেন, বোলাররা একটা শেষ চেষ্টা করে দেখতে পারেন। দিন শেষের সংবাদ সম্মেলনে আসা নাঈম হাসান তাঁদের প্রত্যাশিত লিডের অঙ্কটা বলেও দিয়েছেন, ২০০ রান। যদিও স্বীকৃত ব্যাটসম্যান আর তেমন নেই। দিন শেষে উইকেটে ছিলেন জাকের আলী ও নাঈম হাসান।

বাংলাদেশের সামনে অবশ্য শুরু থেকেই একটার পর একটা বাধা। মুশফিকুর রহিম চোটের জন্য খেলতেই পারলেন না। লিটন দাস যাও চোটকে ফাঁকি দিয়ে মাঠে নেমেছিলেন, নেমে আবার চোট পেলেন কনুইয়ে। উইকেটের পেছনে দাঁড়াতে কখনো কখনো ডেকে পাঠিয়েছেন জাকেরকে। এর মধ্যে আজ আবার সিলি পয়েন্টে ফিল্ডিং করতে গিয়ে মুমিনুলের মাথায় আঘাত। তাঁর কনকাশন সাব হয়েই ব্যাটিং করলেন জাকের।

বলতে পারেন, বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে কি তাহলে দলের এই হিমশিম অবস্থার প্রতিফলনই পড়ল! খেলোয়াড়েরা তো এই অজুহাত দেখাতেই পারেন যে ম্যাচের আগে, এমনকি ম্যাচের মধ্যেও এভাবে চোট-আঘাতে জর্জরিত হতে হলে আর খেলা যায় নাকি!

কারণ এটাই কি না বলা কঠিন, তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টটা আসলেই ঠিকভাবে খেলতে পারছে না বাংলাদেশ। বোলারদের সাফল্যকে আজ মেঘে ঢাকা মলিন দিনের মতোই ম্লান করে দিয়েছে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা। প্রথম ইনিংসে ২৭ রানে এগিয়ে থেকেও তাই তৃতীয় দিন শেষ হওয়ার আগে ১০৬ রানের লিড নিতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে হারিয়ে ফেলেছে ৬ উইকেট। পরিস্থিতি যা, এই টেস্ট চতুর্থ দিনে শেষ হয়ে গেলেও সেটাকে স্বাভাবিক বলেই মনে হবে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস ২৪৫ রানে শেষ করে দিয়ে চা-বিরতির আগেই ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। কিন্তু নেমে নিজেরাও বিপর্যয়ে! ৩৩ রানে হারিয়ে ফেলে ৪ উইকেট, চা-বিরতিতে গেছে ৪ উইকেটে ৩৪ রান নিয়ে। শেষ সেশনের প্রথম ওভারে জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে এলবিডব্লু হয়ে যান লিটন দাস। দলকে ৫৩ রানে রেখে ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে মিরাজও বোল্ড প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া বাঁহাতি স্পিনার ওয়ারিক্যানের বলেই। বাংলাদেশের স্কোর যখন ৬ উইকেটে ৭৯, আলোকস্বল্পতায় বন্ধ হয়ে যায় খেলা। ঘড়ির কাঁটায় তখন ৩টা বেজে ৩০ মিনিট। খেলা এরপর আর হতেই পারেনি।

মিরপুরের উইকেটে প্রথম দিন থেকেই সুবিধা পাচ্ছেন স্পিনাররা। তৃতীয় দিনে সে সুবিধা স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে। কিন্তু এমন নয়, বলগুলো খেলার মতোই ছিল না, বাংলাদেশের উইকেটও পড়েনি বিশাল কোনো টার্ন বা বাউন্সে। যেটুকু হয়েছে, মিরপুরের উইকেটে তৃতীয় দিনে তা হওয়াটাই স্বাভাবিক এবং বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের সেটা ভালো করেই জানা ছিল।

তবে উইকেটে গেলে জানা জিনিসও মাঝে মাঝে গুবলেট হয়ে যাবে, এটাই বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের ধর্ম। এই যেমন আজও ব্যাটসম্যানরা প্রায় সবাই উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এলেন। ওপেনার সাদমান ইসলাম থেকে শুরু করে ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়া মিরাজ, কেউই খুব ভালো বা কঠিন কোনো বলে আউট হননি।

তাওহিদ হৃদয়ের আউটের কথা আলাদা করে না বললেই নয়। প্রথম ইনিংসে তাও ৪২ রান করার পর তেড়ে মারতে গিয়ে আউট হয়েছেন। আজ তো কোনো রান না করেই অনেকটা একই ধরনের শট খেলে মিড অনে ক্যাচ দিলেন জেইডেন সিলসের হাতে।

১১তম ওভারের প্রথম বলে সাদমানকে বোল্ড করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক রোস্টন চেজ, আর হৃদয়কে ফেরান চতুর্থ বলে। বুঝতেই পারছেন, মাত্র ২ বল খেলেই ধৈর্যচ্যুতি ঘটে যায় তাঁর। বড় শট খেলে চেজকে চাপে ফেলতে গিয়ে উল্টো চাপে ফেলে দিলেন নিজের দলকেই।

এর আগে দ্বিতীয় দিনে ৪ উইকেটে করা ১৩৪ রানের সঙ্গে বাকি ৬ উইকেটে আর ১১১ রান যোগ করে শেষ হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস। দিনের শুরুটা খারাপ ছিল না তাদের, লাঞ্চের আগে পড়ে মাত্র ২ উইকেট। কিন্তু লাঞ্চের পর আর ৩২ রান তুলতেই অলআউট।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসের সময়ও কখনো কখনো বল নিচু হচ্ছিল, কোনো কোনোটা বেশ টার্নও নিচ্ছিল। জশুয়া বিশপকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলা মিরাজের বল ছিল অনেকটা সে রকমই। তেজনারায়ণ চন্দরপলের ফিফটির (৫৬) পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংসের আর উল্লেখযোগ্য ঘটনা পঞ্চম উইকেটে জাস্টিন গ্রিভস ও রোস্টন চেজের ৫১ রানের জুটি। নাঈম হাসানের বলে গ্রিভসের এলবিডব্লুতে ভেঙে যায় সেটি এবং এরপরই বিপর্যয়।

৩২ রানে পড়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শেষ ৫ উইকেট, শেষ ৪ উইকেট মাত্র ১১ রানে। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে কৃতিত্বটা বেশি ৩৩ রানে ৪ উইকেট নেওয়া নাঈমের। শামার জোসেফ আর ওয়ারিক্যানকে তিনি ফিরিয়েছেন একই ওভারে।

জাকেরের সঙ্গে মিলে ব্যাট হাতে আগামীকাল সেই নাঈমই শুরু করবেন বাংলাদেশের দিন। তবে শেষ পর্যন্ত দিনটা বাংলাদেশের হয় কি না, তা বুঝতে আরেকটু অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।

পাঠোত্তর প্রতিফলন ও সারসংক্ষেপ অনুশীলন (Active Recall)

প্রতিবেদনটি পড়া শেষ করার পর মূল ভাবটি নিজের ভাষায় ২-৩ বাক্যে লিখুন। এটি বিসিএস লিখিত ও ভর্তি পরীক্ষার ফোকাস রাইটিংয়ে আপনার নিজের ভাষায় উত্তর লেখার সক্ষমতা বহু গুণ বাড়িয়ে দেবে।

সরাসরি আপনার স্টাডি হাবে সংরক্ষিত হবে
সংরক্ষণ করতে লগইন করুন

পঠন মূল্যায়ন ও কুইজ (Active Recall Comprehension)

প্রতিবেদনটি পড়ে আপনার বোধগম্যতা ও সাধারণ জ্ঞান যাচাই করুন

1টি প্রশ্ন
প্রতিবেদনের প্রাসঙ্গিক তথ্যসূত্র:অনুচ্ছেদ ১ • মূল প্রেক্ষাপট

" আরও একটি দিন আলোকস্বল্পতায় শেষ, তৃতীয় দিনেও খেলা হতে পারল না পুরো সময়।"

1. [বাংলাদেশ ক্রিকেট ও টেস্ট ভেন্যু] 'হোম অব ক্রিকেট' খ্যাত বাংলাদেশের প্রধান আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেট ভেন্যু শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম কোন স্থানে অবস্থিত?