ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯২ সালে বিশাল সমুদ্রের নীলে পাড়ি জমিয়েছিলেন, নির্দিষ্ট করে বললে, ১৪৯২ সালের ১২ই অক্টোবর বাহামায় পৌঁছেছিলেন। কিন্তু আমরা যাকে আজ আমেরিকা মহাদেশ হিসেবে জানি, সেখানে পৌঁছানো প্রথম ইউরোপীয় হয়তো তিনি ছিলেন না।
কলম্বাসের বহু আগেই তার পূর্বসূরিরা কোনো রকম আড়ম্বর ছাড়াই সেখানে পৌঁছেছিলেন, যাদের প্রত্যাবর্তনে কোনো রাজকীয় ঘোষণা দেওয়া হয়নি, কিংবা রাস্তায় ভিড় করে কেউ তাদের অভ্যর্থনাও জানায়নি।
আর তারা এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে পৌঁছাতে বিশাল আটলান্টিক মহাসাগর সরাসরি পাড়ি দেননি।
বরং তারা এক দ্বীপ থেকে আরেক দ্বীপ হয়ে খুব দ্রুতই সেখানে পৌঁছেছিলেন, যেখানে আইসল্যান্ড ও গ্রিনল্যান্ড কাজ করেছিল বিরতি বা ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে।
তাদের এ অভিযানের গল্পগুলো শতাব্দীকাল পরে এমন সব উপাখ্যান বা সাগায় রূপ নেয়, যা ইতিহাস বইয়ের চেয়ে মহাকাব্যের মতোই বেশি রোমাঞ্চকর।
আর সময় হিসেব করলে ক্রিস্টোফার কলম্বাসের ৫০০ বছর আগেই তারা আমেরিকার মাটিতে তাদের প্রথম যাত্রা সম্পন্ন করেছিল।
নর্স উপাখ্যানগুলো, মূলত যাদের বংশধরদের দ্বারা ভাইকিংদের গল্পগুলো লিখিত রূপ পেয়েছিল, এবং পরবর্তীতে নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক সত্য ধারণকারী হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
নর্স বলতে স্ক্যানডিনেভিয়ান অঞ্চল বা নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্কে বসবারকারী মধ্যযুগের মানুষদের এবং তাদের সংস্কৃতিকে বোঝায়।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন


