প্রচ্ছদ/বিসিএস ও সাধারণ জ্ঞান/আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গন
বিসিএস ও সাধারণ জ্ঞানলক্ষ্য: আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গন, বৈশ্বিক পুরস্কার ও সাধারণ জ্ঞান

শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তর, শেকৃবির শিক্ষার্থীদের আপত্তি কেন

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ শুরুতেই বাধার মুখে পড়েছে। পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্...

প
প্রথম আলো•২৮ অক্টো, ২০২৬•বিস্তারিত প্রতিবেদন
৩ মিনিট পাঠ

শিক্ষণীয় মূল বিষয়বস্তু (Exam Key Takeaways)

  • মূল সারসংক্ষেপ: শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তর, শেকৃবির শিক্ষার্থীদের আপত্তি কেন— সংশ্লিষ্ট খাতের নীতি ও সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।
  • প্রেক্ষাপট ও কার্যকারণ: পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষার্থীরা।
  • শিক্ষণীয় অন্তর্দৃষ্টি: সমসাময়িক ঘটনাবলি ও বিশ্লেষণধর্মী মতামত রচনার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের জন্য এই প্রতিবেদনটি সমৃদ্ধ রেফারেন্স হিসেবে উপযোগী।

বিসিএস ও ভর্তি পরীক্ষা তথ্য ছক (Exam Fact Sheet)

হাই-ইল্ড ডেটা

প্রিলিমিনারি নৈর্ব্যক্তিক ও লিখিত রচনায় কোটেশনযোগ্য সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান

ক্ষেত্র / সূচকসুনির্দিষ্ট তথ্য ও পরিসংখ্যানপরীক্ষার প্রাসঙ্গিকতা
নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা / প্রধান পক্ষকর্তৃপক্ষ ও মূল পক্ষ
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারণী কর্তৃপক্ষ
সংবিধিবদ্ধ প্রাতিষ্ঠানিক এখতিয়ার ও সুশাসন
সুনির্দিষ্ট উপাত্ত / পরিসংখ্যানউপাত্ত ও প্রধান সিদ্ধান্ত
বিসিএস ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ক কাঠামোগত তথ্য ও সিদ্ধান্ত
সাধারণ জ্ঞান ও সমকালীন পর্যালোচনা
কার্যকর সময়কাল / আইনি ভিত্তিআইনি ভিত্তি ও পটভূমি
চলতি অর্থবছর ও সমসাময়িক পরিক্রমা
সরকারি নীতি কার্যকর ও বাস্তবায়ন সময়রেখা
বিসিএস ও ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস কোণবিসিএস ও ভর্তি পরীক্ষা কোণ
বিসিএস লিখিত: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও রচনায় কোটেশনযোগ্য ডেটা
পরীক্ষার খাতায় উচ্চ নম্বর নিশ্চিতকরণ প্রস্তুতি
পরীক্ষার প্রস্তুতিতে যেভাবে ব্যবহার করবেন: বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে কিংবা ইংরেজি রচনায় (Essay) এই সুনির্দিষ্ট উপাত্ত, প্রতিষ্ঠান ও সাল ভূমিকা বা উপসংহারে উদ্ধৃতি (Quotation) হিসেবে জুড়ে দিলে খাতায় উচ্চ নম্বর প্রাপ্তি নিশ্চিত হয়।
খবরাখবর বিশেষ একাডেমিক ফ্যাক্টশিট ও পরীক্ষা প্রস্তুতি সংকলন
সংবাদপত্রের বিস্তারিত প্রতিবেদন দেখুন
শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তর, শেকৃবির শিক্ষার্থীদের আপত্তি কেন
উৎস: প্রথম আলো • বিভাগ: বিসিএস ও সাধারণ জ্ঞান

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ শুরুতেই বাধার মুখে পড়েছে। পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষার্থীরা। বুধবার তাঁরা মাঠটিতে নির্মাণাধীন দুটি মেলার স্থাপনা ভাঙচুরও করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন এ মাঠের জায়গা তাঁদের। এখানে তাঁরা কৃষিবিষয়ক গবেষণার কাজও করেন। মাঠটিতে সচিবালয় স্থাপন করা হলে একদিকে তাঁরা গবেষণার জায়গা হারাবেন, অন্যদিকে কৃষিবিষয়ক গবেষণাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে সচিবালয় স্থাপন করা হলে ভবিষ্যতে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

তবে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ওই জায়গা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা হিসেবে শিক্ষার্থীরা যে দাবি করছেন, সেটি সঠিক নয়। এটি গণপূর্তের নামে। তারপরও শিক্ষার্থীরা কেন এ দাবি করছেন, সেটি খতিয়ে দেখা হবে।

গত ১৮ অক্টোবর মন্ত্রিসভার বৈঠকে বর্তমানে আবদুল গনি রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ সচিবালয় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয়। ২০২৯ সালে নতুন জায়গায় সচিবালয়ের কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সচিবালয় স্থানান্তর করা হলে পুরান ঢাকায় অবস্থিত জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও অধস্তন আদালত সচিবালয়ের বর্তমান জায়গায় স্থানান্তরের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে আবদুল গনি রোডে ১৭ দশমিক ৫৭ একর জায়গার ওপর বাংলাদেশ সচিবালয়ের ১৩টি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে আটটি ভবন স্বাধীনতার আগে নির্মিত। সচিবালয়ের পুরোনো ১, ২, ৩ ও ৮ নম্বর ভবন ১৯৩৭ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে এবং ৫ নম্বর ভবনটি ১৯৪৭ সালে নির্মিত হয়। এসব ভবন ভূমিকম্প সহনশীল করে নির্মাণ করা হয়নি। ঢাকা শহর ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থাপনায় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা ঝুঁকিপূর্ণ। এ ছাড়া ভবনগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলছে, এ বিষয়ে একনেক সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থাপনের লক্ষ্যে স্থাপত্য অধিদপ্তর ধারণাগত স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করেছে। ওই নকশা অনুযায়ী, প্রায় ৩১ দশমিক ৫৮ একর জায়গায় মোট প্রায় ৩৩ দশমিক ১৬ লাখ বর্গফুট আয়তনের স্থাপনা নির্মাণ করা হবে। এতে তিনটি বেসমেন্টসহ ১৪টি ১২তলা ভবন থাকবে। ৩ হাজার ৮০০টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে, যার মধ্যে ২০০টি ভূ-উপরিস্থ পার্কিং। এ ছাড়া মসজিদ, ৩৫০ জন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন দুটি বহুমুখী হল, একটি ক্যাফেটেরিয়া, একটি ডাকঘরসহ অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্প এলাকায় প্রায় ৩০ শতাংশ জায়গায় সবুজায়ন ও জলাধারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

নতুন জায়গায় সচিবালয় নির্মাণের জন্য মাটি পরীক্ষার কাজও শুরু হয়েছে। এদিকে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে পাশাপাশি দুটি মেলার আয়োজন চলছে। সেখানে মাসব্যাপী ‘এশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা’ আয়োজনের প্রস্তুতি চলছিল। পাশেই এক সপ্তাহব্যাপী ‘যুব মেলা’ নামে আরেকটি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলা দুটির জন্য মাঠে ফটক ও বিভিন্ন স্টল নির্মাণ করা হচ্ছিল। গতকাল দুপুরের আগে শেকৃবির শতাধিক শিক্ষার্থী মাঠে গিয়ে মেলার স্থাপনা ভাঙচুর করেন। এর আগের দিনও তাঁরা প্রতিবাদ জানান।

গতকাল বিকেলে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা হয়। তাঁদের দাবি, পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠটি তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি। আশির দশকে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনামলে মেলার জন্য সাময়িকভাবে জায়গাটি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে তা আর বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরত দেওয়া হয়নি। জায়গাটি ফেরত পেতে বিভিন্ন সময়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি চালাচালি হয়েছে বলে জানান তাঁরা।

তবে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, মন্ত্রিসভায় যেহেতু এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সুতরাং জায়গার বিষয়ে ভালোভাবে জেনেবুঝেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে ২৭ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে একটি চিঠি দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়–সংলগ্ন পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ পুনরুদ্ধারে জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডাকা এবং এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট করার দাবি জানানো হয়।

চিঠিতে শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সম্পত্তি এবং কৃষি গবেষণার জন্য অত্যন্ত মৌলিক ও অপরিহার্য। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তাঁরা এ গবেষণার মাঠের রক্ষণাবেক্ষণ, বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। তাঁদের মতে, ঢাকার মতো জনবহুল ও অপরিকল্পিত নগরের প্রাণকেন্দ্রে সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত পরিবেশগত দিক থেকে চরম অপরিণামদর্শী। একই সঙ্গে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাদান ও কৃষি গবেষণার জন্য মারাত্মক হুমকি।

এ জন্য তিন দিনের মধ্যে জরুরি সিন্ডিকেট সভা করে মাঠটিকে শেকৃবির নিজস্ব গবেষণার মাঠ হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি রক্ষায় হাইকোর্টে রিট আবেদন করার ব্যবস্থা নিতে দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

পাঠোত্তর প্রতিফলন ও সারসংক্ষেপ অনুশীলন (Active Recall)

প্রতিবেদনটি পড়া শেষ করার পর মূল ভাবটি নিজের ভাষায় ২-৩ বাক্যে লিখুন। এটি বিসিএস লিখিত ও ভর্তি পরীক্ষার ফোকাস রাইটিংয়ে আপনার নিজের ভাষায় উত্তর লেখার সক্ষমতা বহু গুণ বাড়িয়ে দেবে।

সরাসরি আপনার স্টাডি হাবে সংরক্ষিত হবে
সংরক্ষণ করতে লগইন করুন

পঠন মূল্যায়ন ও কুইজ (Active Recall Comprehension)

প্রতিবেদনটি পড়ে আপনার বোধগম্যতা ও সাধারণ জ্ঞান যাচাই করুন

1টি প্রশ্ন
প্রতিবেদনের প্রাসঙ্গিক তথ্যসূত্র:অনুচ্ছেদ ১ • মূল প্রেক্ষাপট

" রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ শুরুতেই বাধার মুখে পড়েছে।"

1. [উচ্চশিক্ষা ও কৃষি গবেষণা] বাংলাদেশের প্রাচীনতম কৃষি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বিশেষায়িত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি?